NID কার্ড সংশোধন করার সহজ নিয়ম ২০২৬ | প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ফি
জাতীয় পরিচয়পত্র বা NID কার্ডে নাম, পিতা/মাতার নাম, জন্মতারিখ কিংবা ঠিকানা ভুল থাকা খুব সাধারণ একটি সমস্যা। তবে বর্তমানে আপনি ঘরে বসেই অনলাইনে এনআইডি কার্ড সংশোধনের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আজকের এই গাইডে আমরা জানবো কীভাবে খুব সহজে ২০২৬ সালে অনলাইনে NID কার্ড সংশোধন করবেন, কী কী কাগজপত্র লাগবে এবং কত টাকা ফি দিতে হবে।
NID কার্ড সংশোধন করতে কী কী কাগজপত্র লাগে?
আপনি NID কার্ডের কোন তথ্যটি পরিবর্তন করছেন, তার ওপর ভিত্তি করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হয়:
নাম বা জন্মতারিখ সংশোধন: অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ, এসএসসি/সমমানের সার্টিফিকেট, পাসপোর্ট বা ড্রাইভিং লাইসেন্স।
পিতা বা মাতার নাম সংশোধন: বাবা/মায়ের NID কার্ডের কপি, ভাই-বোনের NID কার্ডের কপি বা উত্তরাধিকার সনদ।
ঠিকানা পরিবর্তন: ইউপি চেয়ারম্যান/কাউন্সিলর সনদ, বিদ্যুৎ বিলের কপি, অথবা জমার রশিদ/জমির দলিলের কপি।
অনলাইনে NID সংশোধন করার নিয়ম (ধাপ অনুযায়ী)
অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের জন্য নিচের সহজ ধাপগুলো অনুসরণ করুন:
অফিসিয়াল পোর্টালে ভিজিট করুন: প্রথমে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের এনআইডি সার্ভিস ওয়েবসাইট (
services.nidw.gov.bd) অথবা NID Wallet মোবাইল অ্যাপে প্রবেশ করুন।রেজিস্ট্রেশন করুন: আপনার NID নম্বর, জন্মতারিখ এবং বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা দিয়ে অ্যাকাউন্ট রেজিস্টার করুন।
ফেস ভেরিফিকেশন: আপনার ফোনের মাধ্যমে NID Wallet অ্যাপ ব্যবহার করে ফেস ভেরিফিকেশন (Face Verification) সম্পন্ন করুন।
তথ্য এডিট করুন: অ্যাকাউন্টে লগইন করার পর 'প্রোফাইল' অপশনে যান এবং 'এডিট' (Edit) বাটনে ক্লিক করে যে তথ্যটি সংশোধন করতে চান তা সঠিক তথ্য দিয়ে পূরণ করুন।
ফি প্রদান: সংশোধন ফি (সাধারণত ২৩০ টাকা থেকে ৩৪৫ টাকা) বিকাশ, নগদ বা রকেটের মাধ্যমে জমা দিন।
কাগজপত্র আপলোড: প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টের ছবি বা স্ক্যান কপি পরিষ্কারভাবে আপলোড করুন।
আবেদন জমা দিন: সবকিছু ঠিক থাকলে আবেদনটি ফাইনাল Submit করুন এবং আবেদনের সামারি ফর্মটি ডাউনলোড করে প্রিন্ট বা সেভ করে রাখুন।
NID কার্ড সংশোধন হতে কত দিন সময় লাগে?
সাধারণত ক্যাটাগরি অনুযায়ী আবেদন অনুমোদনে ১৫ থেকে ৩০ কার্যদিবস সময় লাগতে পারে। আবেদনটি অনুমোদিত হলে আপনি মেসেজ পাবেন এবং ওয়েবসাইট থেকেই নতুন স্মার্ট কার্ডের অনলাইন কপি (PDF) ডাউনলোড করতে পারবেন।
